Learn Disha

Yogyashree Scheme: যোগ্যশ্রীপ্রকল্পেবিনামূল্যে WBJEE ও NEET প্রস্তুতি, সঙ্গেমাসে৩০০টাকাভাতা

পশ্চিমবঙ্গের মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পড়ুয়াদের জন্য বড় সুখবর। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে চালু রয়েছে যোগ্যশ্রী প্রকল্প (Yogyashree Scheme)। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পড়ুয়ারা WBJEE এবং NEET পরীক্ষার জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে কোচিং নেওয়ার সুযোগ পাবেন। শুধু তাই নয়, প্রশিক্ষণ চলাকালীন প্রতি মাসে ৩০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হবে।

চিকিৎসক বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন যাদের, তাদের জন্য এই প্রকল্প একেবারে সুবর্ণ সুযোগ। চলুন জেনে নেওয়া যাক যোগ্যশ্রী প্রকল্পের সম্পূর্ণ বিস্তারিত।

শিক্ষামূলক সহায়তা প্রকল্প

যোগ্যশ্রী প্রকল্প কী?

যোগ্যশ্রী প্রকল্প হল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি শিক্ষামূলক সহায়তা প্রকল্প। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য—

  • মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দেওয়া
  • WBJEE ও NEET-এর মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সাহায্য করা
  • আর্থিক কারণে যাতে পড়াশোনা বন্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করা

এই প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত পড়ুয়ারা সরকারি অনুমোদিত কোচিং সেন্টারে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ পাবেন।

কোন কোন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি দেওয়া হয়?

যোগ্যশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে মূলত প্রস্তুতি দেওয়া হয়—

  • WBJEE (West Bengal Joint Entrance Examination)
  • NEET (National Eligibility cum Entrance Test)

এই দুটি পরীক্ষার জন্যই অভিজ্ঞ শিক্ষকদের মাধ্যমে নিয়মিত ক্লাস, মক টেস্ট ও গাইডেন্স দেওয়া হয়।

মাসিক আর্থিক সহায়তা

কোচিংয়ের পাশাপাশি পড়ুয়াদের দেওয়া হয়—

  • প্রতি মাসে ₹৩০০ টাকা করে ভাতা
    এই অর্থ যাতায়াত, পড়াশোনার উপকরণ বা অন্যান্য শিক্ষাসংক্রান্ত খরচে ব্যবহার করা যাবে।

কারা আবেদন করতে পারবেন? (Eligibility Criteria)

যোগ্যশ্রী প্রকল্পে আবেদন করার জন্য সাধারণত যেসব যোগ্যতা প্রয়োজন—

  • আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে
  • বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পড়াশোনা করতে হবে / করে থাকতে হবে
  • উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ অথবা পরীক্ষার্থী হতে হবে
  • পরিবারিক আয় নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে হতে হবে
  • WBJEE বা NEET পরীক্ষায় আগ্রহী হতে হবে

(সুনির্দিষ্ট যোগ্যতার শর্ত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে)

কী কী সুবিধা মিলবে?

যোগ্যশ্রী প্রকল্পে নির্বাচিত হলে পড়ুয়ারা পাবেন—

  • ✅ WBJEE / NEET-এর সম্পূর্ণ ফ্রি কোচিং
  • ✅ অভিজ্ঞ শিক্ষকের ক্লাস
  • ✅ স্টাডি ম্যাটেরিয়াল ও মক টেস্ট
  • ✅ প্রতি মাসে ₹৩০০ আর্থিক সহায়তা
  • ✅ সরকারি প্রকল্পের স্বীকৃতি

আবেদন পদ্ধতি

যোগ্যশ্রী প্রকল্পে আবেদন সাধারণত অনলাইনের মাধ্যমে করা হয়।

আবেদনের ধাপ—

  1. সংশ্লিষ্ট সরকারি পোর্টালে প্রবেশ করুন
  2. যোগ্যশ্রী প্রকল্পের আবেদন লিঙ্কে ক্লিক করুন
  3. প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত ও শিক্ষাগত তথ্য পূরণ করুন
  4. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করুন
  5. আবেদন সাবমিট করুন

আবেদন করার সময় অবশ্যই সঠিক তথ্য দিতে হবে।

কেন যোগ্যশ্রী প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ?

বর্তমানে WBJEE ও NEET-এর কোচিং অত্যন্ত ব্যয়বহুল। অনেক মেধাবী ছাত্রছাত্রী শুধুমাত্র আর্থিক সমস্যার কারণে সুযোগ পায় না। যোগ্যশ্রী প্রকল্প সেই সমস্যার সমাধান করে—

  • গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের পড়ুয়াদের স্বপ্নপূরণে সাহায্য করে
  • রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে
  •  বিশেষভাবে সক্ষম শিক্ষার্থীদের জন্য সহানুভূতি স্কলারশিপ, আবেদন প্রক্রিয়া শুরু

বিশেষভাবে সক্ষম (Divyang) ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনা যাতে আর্থিক সমস্যার কারণে বন্ধ না হয়ে যায়, সেই লক্ষ্যেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে চালু রয়েছে সহানুভূতি স্কলারশিপ (Sahanubhuti Scholarship)।
এই স্কলারশিপের মাধ্যমে রাজ্যের বিশেষভাবে সক্ষম পড়ুয়ারা পড়াশোনার জন্য আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকেন। বিকাশ ভবনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই প্রকল্প ইতিমধ্যেই বহু পড়ুয়ার শিক্ষাজীবনে বড় ভরসা হয়ে উঠেছে।

আপনিও যদি এই স্কলারশিপে আবেদন করতে চান, তাহলে সম্পূর্ণ তথ্য নিচে দেখে নিন।

সহানুভূতি স্কলারশিপ কী?

সহানুভূতি স্কলারশিপ হল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি সামাজিক ও শিক্ষামূলক সহায়তা প্রকল্প। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য—

  • বিশেষভাবে সক্ষম পড়ুয়াদের শিক্ষায় উৎসাহ দেওয়া
  • আর্থিক দুর্বলতার কারণে পড়াশোনা বন্ধ হওয়া রোধ করা
  • স্কুল, কলেজ ও উচ্চশিক্ষা স্তরে পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ানো

এই স্কলারশিপ সরাসরি বিকাশ ভবনের অধীনে পরিচালিত হয়।

কারা আবেদন করতে পারবেন? (Eligibility Criteria)

সহানুভূতি স্কলারশিপে আবেদন করার জন্য সাধারণত নিচের যোগ্যতাগুলি থাকতে হয়—

  • আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে
  • আবেদনকারীকে বিশেষভাবে সক্ষম (PwD/Divyang) হিসেবে স্বীকৃত হতে হবে
  • সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত ডিসঅ্যাবিলিটি সার্টিফিকেট থাকতে হবে
  • আবেদনকারী বর্তমানে স্কুল, কলেজ বা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত হতে হবে
  • পরিবারিক আয় নির্ধারিত সীমার মধ্যে হতে হবে

(যোগ্যতার শর্ত সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে)

কত টাকা আর্থিক সহায়তা পাওয়া যায়?

সহানুভূতি স্কলারশিপের মাধ্যমে পড়ুয়ারা শিক্ষাস্তর অনুযায়ী বার্ষিক আর্থিক সহায়তা পান।
এই অর্থ—

  • পড়াশোনার খরচ
  • বই, খাতা, স্টাডি ম্যাটেরিয়াল
  • অন্যান্য শিক্ষাসংক্রান্ত প্রয়োজন

মেটাতে ব্যবহার করা যায়।

(টাকার পরিমাণ শিক্ষা স্তর  সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত হয়)

কী কী সুবিধা মিলবে?

সহানুভূতি স্কলারশিপের আওতায় পড়ুয়ারা পাবেন—

  • ✅ আর্থিক সহায়তা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে
  • ✅ পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার নিশ্চয়তা
  • ✅ সরকারি স্কলারশিপের স্বীকৃতি
  • ✅ বিশেষভাবে সক্ষম পড়ুয়াদের জন্য আলাদা সহানুভূতিমূলক সহায়তা
সরকারি স্কলারশিপের স্বীকৃতি

আবেদন পদ্ধতি (How to Apply)

সহানুভূতি স্কলারশিপের আবেদন সাধারণত অনলাইনের মাধ্যমে করা হয়।

আবেদনের ধাপ—

  1. সংশ্লিষ্ট সরকারি স্কলারশিপ পোর্টালে প্রবেশ করুন
  2. Sahanubhuti Scholarship অপশনটি নির্বাচন করুন
  3. নতুন আবেদনকারী হলে প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করুন
  4. ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত ও প্রতিবন্ধকতা সংক্রান্ত তথ্য দিন
  5. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করুন
  6. আবেদন সাবমিট করুন এবং রসিদ সংরক্ষণ করুন

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট

আবেদন করার সময় সাধারণত যে ডকুমেন্টগুলো লাগে—

  • আধার কার্ড
  • ডিসঅ্যাবিলিটি সার্টিফিকেট
  • ঠিকানার প্রমাণ
  • ব্যাঙ্ক পাসবুক
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট / আইডি
  • পাসপোর্ট সাইজ ছবি

কেন সহানুভূতি স্কলারশিপ গুরুত্বপূর্ণ?

বিশেষভাবে সক্ষম পড়ুয়ারা অনেক সময় আর্থিক ও সামাজিক বাধার সম্মুখীন হন। এই স্কলারশিপ—

  • তাদের শিক্ষার অধিকার সুরক্ষিত করে
  • আত্মনির্ভর হওয়ার পথে সাহায্য করে
  • সমাজে সমান সুযোগ তৈরিতে ভূমিকা রাখে
  •  West Bengal Freeship Scheme: কলেজের ফি দেবে সরকার! ফ্রিশিপ প্রকল্পে জানুন যোগ্যতা  আবেদন পদ্ধতি

আর্থিক সমস্যার কারণে যাতে কোনও পড়ুয়ার উচ্চশিক্ষা বন্ধ না হয়ে যায়, সেই উদ্দেশ্যেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার চালু করেছে ফ্রি-শিপ প্রকল্প (West Bengal Freeship Scheme)।
এই প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের যোগ্য ছাত্রছাত্রীদের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি সরকার বহন করবে। ফলে উচ্চশিক্ষা আরও সহজ ও সাশ্রয়ী হয়ে উঠবে।

যদি আপনি কলেজে পড়াশোনা করছেন বা ভর্তি হতে চলেছেন, তাহলে এই প্রকল্পের সম্পূর্ণ তথ্য নিচে দেখে নিন।

ফ্রিশিপ প্রকল্প কী?

ফ্রি-শিপ প্রকল্প হল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি শিক্ষা সহায়তা প্রকল্প। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য—

  • আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা ছাত্রছাত্রীদের পাশে দাঁড়ানো
  • কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি-এর বোঝা কমানো
  • উচ্চশিক্ষায় অংশগ্রহণ বাড়ানো

এই প্রকল্পের মাধ্যমে পড়ুয়াদের ফি সরাসরি মকুব বা সরকারিভাবে পরিশোধ করা হয়।

কারা ফ্রিশিপ প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন? (Eligibility Criteria)

এই প্রকল্পে আবেদন করার জন্য সাধারণত যেসব যোগ্যতা প্রয়োজন—

  • আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে
  • আবেদনকারীকে স্বীকৃত কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে
  • আবেদনকারী SC / ST / OBC বা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন
  • পরিবারিক বার্ষিক আয় নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকতে হবে
  • নিয়মিত ছাত্রছাত্রী হতে হবে

(যোগ্যতার শর্ত সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে)

প্রতি মাসে নিয়মিত আর্থিক সহায়তা

কী কী সুবিধা মিলবে?

ফ্রি-শিপ প্রকল্পের আওতায় পড়ুয়ারা পাবেন—

  • ✅ কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি সম্পূর্ণ মকুব
  • ✅ উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ
  • ✅ পরিবারের আর্থিক চাপ অনেকটাই কমবে
  • ✅ সরকারি প্রকল্পের স্বীকৃতি

কোন কোন কোর্সের জন্য প্রযোজ্য?

এই প্রকল্প সাধারণত প্রযোজ্য—

  • আন্ডারগ্র্যাজুয়েট (UG) কোর্স
  • পোস্টগ্র্যাজুয়েট (PG) কোর্স
  • প্রফেশনাল ও জেনারেল ডিগ্রি কোর্স

আবেদন পদ্ধতি (How to Apply)

ফ্রি-শিপ প্রকল্পে আবেদন সাধারণত অনলাইনের মাধ্যমে করা হয়।

আবেদনের ধাপ—

  1. পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অফিসিয়াল স্কলারশিপ পোর্টালে প্রবেশ করুন
  2. Freeship Scheme অপশনটি নির্বাচন করুন
  3. নতুন আবেদনকারী হলে প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করুন
  4. ব্যক্তিগত ও শিক্ষাগত তথ্য পূরণ করুন
  5. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করুন
  6. আবেদন সাবমিট করুন ও রসিদ সংরক্ষণ করুন

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট

আবেদন করার সময় সাধারণত যে ডকুমেন্টগুলো লাগে—

  • আধার কার্ড
  • বাসিন্দার প্রমাণ
  • আয়ের শংসাপত্র
  • কলেজের অ্যাডমিশন রসিদ / ফি রসিদ
  • ব্যাঙ্ক পাসবুক
  • সাম্প্রতিক ছবি

ফ্রিশিপ প্রকল্প কেন গুরুত্বপূর্ণ?

বর্তমানে কলেজের ফি অনেক পড়ুয়ার পক্ষেই দেওয়া কঠিন হয়ে উঠছে। এই প্রকল্প—

  • গরিব ও মধ্যবিত্ত পড়ুয়াদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সাহায্য করে
  • ড্রপআউট কমাতে সাহায্য করে
  • রাজ্যে উচ্চশিক্ষার হার বৃদ্ধি করে
  • SVMCM K3 Scholarship: এই স্কলারশিপে প্রতি মাসে ,৫০০ টাকা দেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, জেনে নিন সম্পূর্ণ তথ্য

পশ্চিমবঙ্গের মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পড়ুয়াদের জন্য বড় সুখবর। রাজ্য সরকারের অন্যতম জনপ্রিয় শিক্ষা সহায়তা প্রকল্প স্বামী বিবেকানন্দ মেধা-সহায়তা স্কলারশিপ (SVMCM)–এর আওতায় K3 ক্যাটাগরির পড়ুয়ারা প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পান।
এই স্কলারশিপের মূল উদ্দেশ্য হল যাতে অর্থের অভাবে কোনও মেধাবী ছাত্রছাত্রীর উচ্চশিক্ষা বন্ধ না হয়ে যায়।

আপনি যদি এই স্কলারশিপে আবেদন করতে চান, তাহলে নিচে সম্পূর্ণ তথ্য বিস্তারিতভাবে দেখে নিন।

SVMCM K3 Scholarship কী?

SVMCM K3 স্কলারশিপ হল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অধীনে পরিচালিত একটি আর্থিক সহায়তা প্রকল্প।
এই K3 ক্যাটাগরি মূলত Post Graduate (PG) স্তরের ছাত্রছাত্রীদের জন্য।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে পড়ুয়াদের—

  • পড়াশোনার খরচ চালানো সহজ হয়
  • পরিবারিক আর্থিক চাপ কমে
  • উচ্চশিক্ষায় উৎসাহ বৃদ্ধি পায়

কত টাকা স্কলারশিপ পাওয়া যায়?

SVMCM K3 স্কলারশিপে নির্বাচিত হলে—

  • প্রতি মাসে ₹২,৫০০ টাকা
  • বছরে মোট ₹৩০,০০০ টাকা

এই টাকা সরাসরি পড়ুয়ার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে (DBT) পাঠানো হয়।

কারা আবেদন করতে পারবেন? (Eligibility Criteria)

SVMCM K3 স্কলারশিপে আবেদন করার জন্য সাধারণত নিচের যোগ্যতাগুলি থাকতে হবে—

  • আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে
  • আবেদনকারীকে Post Graduate (PG) কোর্সে অধ্যয়নরত হতে হবে
  • UG পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫৩% থেকে ৫৫% নম্বর থাকতে হবে (কোর্সভেদে ভিন্ন হতে পারে)
  • পরিবারিক বার্ষিক আয় সাধারণত ₹২.৫ লক্ষের মধ্যে হতে হবে
  • আবেদনকারীকে স্বীকৃত কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হবে

(যোগ্যতার শর্ত সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে)

কোন কোন কোর্সের জন্য প্রযোজ্য?

SVMCM K3 স্কলারশিপ প্রযোজ্য—

  • MA / MSc / MCom
  • অন্যান্য স্বীকৃত PG কোর্স
  • সাধারণ ও অনার্স উভয় ক্ষেত্রেই
SVMCM K3 স্কলারশিপে আবেদন

কী কী সুবিধা মিলবে?

এই স্কলারশিপে নির্বাচিত হলে পড়ুয়ারা পাবেন—

  • ✅ প্রতি মাসে নিয়মিত আর্থিক সহায়তা
  • ✅ পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার নিশ্চয়তা
  • ✅ সরকারি স্কলারশিপের স্বীকৃতি
  • ✅ সরাসরি ব্যাঙ্কে টাকা (No middleman)

আবেদন পদ্ধতি (How to Apply)

SVMCM K3 স্কলারশিপের আবেদন সম্পূর্ণ অনলাইনে করা হয়।

আবেদনের ধাপ—

  1. svmcm.wb.gov.in ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন
  2. “New Registration” অপশনে ক্লিক করুন
  3. প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন
  4. লগইন করে আবেদন ফর্ম পূরণ করুন
  5. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করুন
  6. আবেদন সাবমিট করুন এবং প্রিন্ট আউট সংরক্ষণ করুন

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট

আবেদন করার সময় সাধারণত যেসব ডকুমেন্ট লাগে—

  • আধার কার্ড
  • আয়ের শংসাপত্র
  • মার্কশিট (UG)
  • কলেজ / বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রমাণ
  • ব্যাঙ্ক পাসবুক
  • পাসপোর্ট সাইজ ছবি

SVMCM K3 স্কলারশিপ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

এই স্কলারশিপ—

  • PG পড়ুয়াদের ড্রপআউট কমাতে সাহায্য করে
  • মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের আত্মনির্ভর করে তোলে
  • রাজ্যে উচ্চশিক্ষার মান উন্নত করে
  • National Scholarship NSP 2025: ন্যাশনাল স্কলারশিপের আবেদন শুরু, কেন্দ্র সরকার দেবে সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা

দেশের লক্ষ লক্ষ পড়ুয়াদের জন্য বড় সুখবর। কেন্দ্র সরকারের National Scholarship Portal (NSP) 2025–এর মাধ্যমে বিভিন্ন জাতীয় স্তরের স্কলারশিপের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই স্কলারশিপগুলির আওতায় যোগ্য ছাত্রছাত্রীরা সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন।

যারা স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন এবং আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে, তাদের জন্য NSP স্কলারশিপ একটি বড় সুযোগ। আবেদন করার আগে সম্পূর্ণ বিস্তারিত জেনে নিন।

National Scholarship Portal (NSP) কী?

National Scholarship Portal হল কেন্দ্র সরকারের একটি একক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে—

  • কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন স্কলারশিপ এক জায়গায় পাওয়া যায়
  • স্কুল থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষা স্তরের পড়ুয়ারা আবেদন করতে পারেন
  • সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনে করা যায়

এই পোর্টালের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপের টাকা সরাসরি DBT (Direct Benefit Transfer)–এর মাধ্যমে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়।

NSP 2025– কোন কোন স্কলারশিপ পাওয়া যায়?

NSP 2025-এর আওতায় সাধারণত যেসব স্কলারশিপ পাওয়া যায়—

  • Pre-Matric Scholarship
  • Post-Matric Scholarship
  • Merit-cum-Means Scholarship
  • Minority Scholarship
  • SC / ST / OBC Scholarship
  • Central Sector Scholarship Scheme

প্রতিটি স্কলারশিপের যোগ্যতা ও টাকার পরিমাণ আলাদা।

কত টাকা স্কলারশিপ পাওয়া যাবে?

NSP-এর অধীনে স্কলারশিপের পরিমাণ স্কিমভেদে ভিন্ন হয়—

  • বার্ষিক ₹১০,০০০ থেকে ₹৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত
  • কিছু স্কিমে টিউশন ফি + মেইনটেন্যান্স অ্যালাওয়েন্সও দেওয়া হয়

টাকা সরাসরি পড়ুয়ার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হয়।

কারা আবেদন করতে পারবেন? (Eligibility Criteria)

NSP স্কলারশিপে আবেদন করার জন্য সাধারণত নিচের শর্তগুলি থাকতে হয়—

  • আবেদনকারীকে ভারতের নাগরিক হতে হবে
  • স্কুল / কলেজ / বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত ছাত্রছাত্রী হতে হবে
  • পরিবারিক বার্ষিক আয় নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকতে হবে
  • SC / ST / OBC / Minority বা General ক্যাটাগরির পড়ুয়ারা স্কিম অনুযায়ী আবেদন করতে পারবেন

(যোগ্যতার শর্ত স্কলারশিপভেদে আলাদা হতে পারে)

কোন কোন কোর্সের জন্য প্রযোজ্য?

NSP স্কলারশিপ প্রযোজ্য—

  • স্কুল স্তর (Class 1–10)
  • উচ্চমাধ্যমিক (Class 11–12)
  • আন্ডারগ্র্যাজুয়েট (UG)
  • পোস্টগ্র্যাজুয়েট (PG)
  • প্রফেশনাল কোর্স (Engineering, Medical, Law ইত্যাদি)

আবেদন পদ্ধতি (How to Apply for NSP 2025)

NSP স্কলারশিপের আবেদন সম্পূর্ণ অনলাইনে করতে হবে।

আবেদনের ধাপ—

  1. scholarships.gov.in ওয়েবসাইটে যান
  2. “New Registration” অপশনে ক্লিক করুন
  3. আধার ও প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন
  4. লগইন করে নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী স্কলারশিপ বেছে নিন
  5. আবেদন ফর্ম পূরণ করুন
  6. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করুন
  7. আবেদন সাবমিট করে প্রিন্ট আউট সংরক্ষণ করুন

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট

NSP স্কলারশিপে আবেদন করতে সাধারণত লাগে—

  • আধার কার্ড
  • ব্যাঙ্ক পাসবুক
  • আয় শংসাপত্র
  • কাস্ট সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য হলে)
  • মার্কশিট
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি / সার্টিফিকেট

NSP স্কলারশিপ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

এই স্কলারশিপ—

  • গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের পড়ুয়াদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সাহায্য করে
  • ড্রপআউট কমায়
  • উচ্চশিক্ষায় অংশগ্রহণ বাড়ায়
  • শিক্ষার্থীদের আত্মনির্ভর করে তোলে